‘ঐতিহাসিক এই গণজোয়ার ৭ জানুয়ারি ভোট বিপ্লব ঘটাবে: অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা’


প্রেস বিজ্ঞপ্তি: কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা বলেন, মানুষ উন্নয়নের জন্য কাঁচি প্রতীকের পক্ষে জেগে উঠেছে। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। কারণ কাঁচি পরিবর্তন ও উন্নয়নের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাওয়ায় ভেসে নেতা হওয়ার দিন শেষ। এই গণজোয়ার প্রমাণ করে কাঁচি প্রতীকের জনপ্রিয়তা। ঐতিহাসিক এই গণজোয়ার ৭ জানুয়ারি ভোট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে কাঁচি প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেল ৩ টায় নগরীর রানীবাজারস্থ জয় বাংলা চত্বরে কাঁচি প্রতীকের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি জয় বাংলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে নগরীর জিরো পয়েন্ট, আলুপট্টিসহ প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ করে আবারও জয় বাংলা চত্বরে এসে শেষ হয়। এ গণমিছিলে নগরীর ৩০ টি ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়। গণমিছিল লাখো মানুষের গণজোয়ারে পরিণত হয়।

গণমিছিলে কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বার্তা স্পষ্ট। এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু, প্রতিদ্ব›িদ্বতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক হবে। যার যার জনপ্রিয়তা নিয়ে বিজয়ী হতে হবে। আর রাজশাহীতে কাঁচি প্রতীক নির্বাচনে না আসলে নির্বাচন কখনোই অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্ব›িদ্বতামূলক হতো না। একারণেই কাঁচি প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত। কোন ষড়যন্ত্র এই বিজয়কে রুখতে পারবে না। এসময় তিনি নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যমসহ সকল নেতা-কর্মী ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এই গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহীতে লাখো মানুষের যে ঢল নেমেছে, তা এর আগে কখনো হয়েছে  বলে জানা নেই। এই গণজোয়ার প্রমাণ করে কাঁচি প্রতীকের ভবিষ্যৎ কি। কোন ষড়যন্ত্রই আর কাঁচি প্রতীকের জয়ে বাঁধাগ্রস্থ করতে পারবে না। এসময় তিনি সকলকে আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে কাঁচি প্রতীকে ভোট দেয়ার আহŸান জানান।

এই গণমিছিলে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা ও রাসিক কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে ৩০টি ওয়ার্ড থেকেই হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়। যা নগরীর রানীবাজারস্থ জয় বাংলা চত্বরে এসে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। গণমিছিলে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. তবিবুর রহমান শেখ, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মো. মোসাব্বিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আসলাম সরকার, আজিজুল আলম বেন্টু সহ মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।