ঝালকাঠির বাস দুর্ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি


সদর উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বরিশাল-খুলনা মহাসড়কে ছত্রকান্দা এলাকায় ঘটা বাস দুর্ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম স্বাক্ষরিত তদন্ত কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ মামুন শিবলীকে প্রধান করা হয়েছে।

আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে তাকে।

শনিবার (২২ জুলাই) বিকেলে সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা নিহতদের দেখে বের হবার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম।

তিনি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে ১৪ জন শনাক্ত হয়েছে। যারা ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নিতে আবেদন করেছেন, সেটি বিশেষ বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টার দিকে ছত্রকান্দা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস পুকুরে পড়ে। এ ঘটনায় নিহত হন ১৭ জন। আহত হয়েছেন ২৫-৩০ জন। বাসটিতে আনুমানিক ৫০-৬০ জন যাত্রী ছিল। নিহতদের মধ্যে আটজন নারী, ছয়জন পুরুষ ও তিনজন শিশু।

আহতদের তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ভান্ডারিয়া থেকে বাশার স্মৃতি পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস ঝালকাঠির দিকে যাচ্ছিল। পথে ছত্রকান্দা এলাকায় পৌঁছে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি পুকুরে পড়ে উল্টে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা উদ্ধার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন সরকার ১৭ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে ভর্তি আহতদের মধ্যে কজন মুমূর্ষু  অবস্থায় আছেন। গাড়ির ভেতরে কতজন আটকে আছে তা ধারণা করা যাচ্ছে না। বাসটি উদ্ধারের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

উদ্ধার কাজ চলায় দুর্ঘটনার পর থেকে খুলনা-ঝালকাঠি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে।