সাপাহারে লাগাতার লোডশেডিং-এ জনজীবন অতীষ্ট


মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি : রমযান মাস। সিয়াম সাধনার মাস। এ বছরে এপ্রিল মাস থেকে রোজা শুরু হবার ফলে অনেকটা দাবদাহের মধ্যে সাওম পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। এরই মধ্যে নওগাঁর সাপাহারে শুরু হয়েছে বিদ্যুতের যাওয়া -আসার ভেলকিবাজি।

বেশিরভাগ সময় সেহরী,ইফতার ও তারাবীহ নামাজের সময় লোডশেডিং হচ্ছে। যাতে করে চরম দাবদাহে গরম সহ্য করে মহান রবের উপাসনা করতে হচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের। যার ফলো ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মুসল্লীরা। রমযান মাসের শুরু থেকে এই উপজেলায় ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং-এ অতীষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। লাগাতার লোডশেডিং এর ফলে চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-কার্যক্রম।

শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ অফিস কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং রাখার কারনে ব্যহত হচ্ছে স্থানীয় কলে-কারখানা সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজ। মুসল্লী আব্দুল হামিদ বলেন, সারাদিন রোজা রাখার পর তারাবীহের নামাজ পড়তে গিয়ে লোডশেডিং হচ্ছে। যাতে করে একদিকে যেমন ভ্যাপসা গরম অপর দিকে ইমামের সুরা-ক্বেরাত শুনতেও সমস্যা হচ্ছে। অসহনীয় গরমের মধ্যে নামাজ আদায় করতে অনেকটা কষ্টকর বটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী এ প্রতিবেদককে জানান, লাগাতার লোডশেডিং এর ফলে আমার কারখানা বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকছে।

রোজার দিনে এমনিতেই কাজ কম হয়।তার উপর লাগাতার লোডশেডিং-এ আমাদের চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, আমরা সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের পরে যখন প্রাইভেট পড়তে যাই,তখনই কারেন্ট টান দেয়। যাতে করে লেখা-পড়ায় চরম বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে জানতে চেয়ে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নোটিশ বিহীন এধরণের লোডশেডিং-এ অতীষ্ট এলাকার সাধারণ জনগন,মুসল্লী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। অনতিবিলম্বে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে এমনটাই আশাবাদী এলাকার সাধারণ জনগন।