রৌমারী-রাজিবপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ হাজার কৃষকের হাহাকার, প্রণোদনার দাবী কৃষকদের


মাজহারুল ইসলাম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমের বন্যা দীর্ঘায়িত হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুরের-আমন চাষি কৃষকরা। দৃই উপজেলার কৃষকরা বলছেন এবার রৌমারী রাজিবপুরে বৃষ্টি না থাকায় সেচ দিয়ে আমন চাষে অন্যান্য বছরের তুলনায় খরচা বেরেছে দ্বিগুন হয়েছে।

সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা না করে তাহলে অনেক বড় ক্ষতির মুখে পরতে হবে আমাদের। কৃষির উপরনির্ভশীল কৃষকরা জানিয়েছেন, রোপকৃত আমন ধানের জমি বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হয়েছে আমনের বীজতলা।

কারণ, আমনের চারা তিন থেকে পাঁচ দিনের বেশি সময় পানির নিচে থাকলেই পচে যায়। এখন আবার ঘুরে দ্বারাতে চাইলেও হচ্ছেনা। কারন ৫ হাজার টাকার চারা কিনেও এক বিঘা জমির চারা হয়না চারার এতো দাম।

সরেজমিনে হাটবাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে কৃষকদের আমন চারা ক্রয় বিক্রয়ের বাস্তব চিত্র। একমুঠো করে চারার মোঠা করা হয়েছে তার ৮০টি মোঠুর দাম ৭শত থেকে ৮০০ টাকা পন বিক্রয়,ক্রয় করছে চাষিরা ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে জানা গেছে আমন মৌসুমের জন্য রৌমারী উপজেলাটিতে ৫৮০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছিল। রোপন সম্পূন্ন হয় ৬ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমির রোপা আমন। এরপর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ডুবে ক্ষতির সংখ্যা দ্বারালো ৪ হাজার ৪৩ হেক্টর জমির আমন ধান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইম চৌধরী জানিয়েছে, বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মধ্যে বিনা মূল্যে আমনের চারাসহ বিভিন্ন জাতের বীজ বিতরণ করা হবে।

যাতে করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারে সেজন্য আমরা সর্বপ্রকারের চেষ্টা চালিয়ে যাবো। বন্যায ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ হাজার জন কৃষকদের তালিকা করা হয়েছে এবং উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

বরাদ্দ আসলেই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহযোগিতা করা হবে। বিনামূল্যে কৃষকদের মাসকলাইয়ের বীজ ও সার দেওয়া হবে আগামী বৃস্পতিবার।