
রাপ্র ডেস্কঃ হারলেই বাদ, জিতলেও ফাইনালে যেতে হলে পেরোতে হবে আরও এক ধাপ। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর রাইডার্স-সিলেট টাইটানস মিরপুরে খেলতে নেমেছে এই সমীকরণ মাথায় নিয়েই। স্কোরবোর্ডে বেশি রান না উঠলেও সিলেট-রংপুরের লড়াই হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি। টানটান উত্তেজনায় পূর্ণ ম্যাচে শেষ বলে ছক্কা মেরে সিলেটের জয় এনে দিলেন ক্রিস ওকস। তাতে বিদায় ঘণ্টা বেজে গেল রংপুরের।
সিলেটের জন্য লক্ষ্যটা ১১২ রানের হলেও সব রোমাঞ্চ যেন জমা ছিল শেষ মুহূর্তের জন্যই। হাতে ৫ উইকেট নিয়ে শেষ দুই ওভারে ১৫ রানের সমীকরণের সামনে এসে পড়ে সিলেট। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে মোস্তাফিজকে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে তুলে মারতে যান স্যাম মিলিংস। কাউ কর্নার থেকে ডিপ মিড উইকেটে দৌড়ে এসে ডাইভ দিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন তাওহীদ হৃদয়। দুর্দান্ত ক্যাচের পর হৃদয় বল শূন্যে ছুড়ে উদযাপন করেন। মোস্তাফিজের সেই ওভার থেকে সিলেট নিয়েছে ৬ রান।
জয়ের লক্ষ্যে নেমে ২ রানেই ভেঙে যায় সিলেট টাইটানসের উদ্বোধনী জুটি। ইনিংসের চতুর্থ বলে সিলেট ওপেনার তৌফিক খান তুষারকে (২) ফেরান মোস্তাফিজ। তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলামের সঙ্গে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন মিলে সামাল দেন প্রাথমিক ধাক্কা। দ্বিতীয় উইকেটে ২৯ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন আরিফুল ও ইমন। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে আরিফুলকে (১৭) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নাহিদ রানা।
আরিফুল ফেরার পর সাময়িক ধস নামে সিলেট টাইটানসের ইনিংসে। ৫.৩ ওভারে ২ উইকেটে ৩৮ রান থেকে মুহূর্তেই ৮ ওভারে ৪ উইকেটে ৪৪ রানে পরিণত হয় সিলেট। রংপুর রাইডার্সের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সিলেটের ব্যাটিং করাটাই দুরূহ হয়ে পড়ে। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও স্যাম বিলিংস ঠান্ডা মাথায় এগোতে থাকেন। পঞ্চম উইকেটে ১৭ বলে ১ চারে ১৫ রান করেন মালান।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেট টাইটানসের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা রংপুর রাইডার্স ৬.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ২৯ রানে পরিণত হয়। পঞ্চম উইকেটে ২৯ বলে ৩৪ রানের জুটি গড়েন খুশদিল শাহ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রংপুর রাইডার্সের ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ জুটি।
সিলেট টাইটানসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১১ রানে থেমে যায় রংপুর রাইডার্স। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ২৬ বলে দুটি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন তিনি। সিলেটের সৈয়দ খালেদ আহমেদ ৪ ওভারে ১৪ রানে খরচ করে ৪ উইকেট নিয়েছেন। সিলেটের নাসুম আহমেদ ও ক্রিস ওকস দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। এই ম্যাচ দিয়ে বিপিএলে অভিষেক হয়েছে ওকসের। ৪ ওভারে খরচ করেন ১৫ রান।







