

তুরস্কের আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনার কাজ। দেশটির স্থানীয় সময় রোববার (১৪ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোটাররা এদিন একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের জন্য ভোট দিয়েছেন। খবর আনাদুলা এজেন্সির।
এই ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা তুরস্কের ভাগ্য। কে আসছে ক্ষমতায়, তা নিয়ে আগে থেকেই চলছিল ব্যাপক আলোচনা। ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান নাকি রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) কেমাল কিলিকদারোগলু? আলোচনায় বাদ পড়েনি অপর প্রার্থী সিনান ওগানও।
আজকের পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে পাঁচ জোটের মাধ্যমে ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল এবং ১৫০ স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই ভোটগ্রহণের জন্য সারা দেশে এক লাখ ৯১ হাজার ৮৮৫টি ব্যালট বক্স স্থাপন করা হয়।
এবার নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছয় কোটি ৪১ লাখেরও বেশি। এর মধ্যে বিদেশে অবস্থানরত ১৭ লাখ ৭৬ হাজার ভোটার তাদের ভোট দিয়ে দিয়েছেন। আর এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট ৪৯ লাখ নতুন ভোটার।
প্রতিজন ভোটার ভোট দিতে দুটি করে ব্যালট পান। একটি পার্লামেন্ট বাছাইয়ের জন্য এবং অন্যটি প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জন্য। নির্বাচনে জয়ীরা আগামী পাঁচ বছর দেশটির ক্ষমতায় থাকবে।
তুরস্কের নির্বাচন অনুযায়ী, আজকের এই ভোটে কোনো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পেলে দ্বিতীয় ধাপে ভোট হবে। আর দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ২৮ মে।
ধারণা করা হচ্ছে, প্রথম ধাপের নির্বাচনে কোনো প্রার্থীই ৫০ শতাংশ ভোট পাবেন না। এর ফলে, ভোট গড়াবে দ্বিতীয় ধাপে।

তুরস্কের নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দলকে পার্লামেন্টে আসন পেতে হলে অন্তত সাত শতাংশ ভোট পেতে হয়। তাই রাজনৈতিক দলগুলো আসন পাওয়া নিশ্চিত করতে নির্বাচনী জোট বাধে।







