পুঠিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ! সংঘর্ষে আহত ৬


পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়ায় ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পরে সেই কিশোরীকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। সোমবার সকাল ৬টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার কান্দ্রা গুচ্ছ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত খলিলুর রহমান (৬৫) একই গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে।

এই ঘটনাই রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার কান্দ্র গুচ্চুগ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের সঘর্ষে ৬ জনকে আহত অবস্থায় পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- নুরনাহার বেগম (৫৮), সারিকুল ইসলাম (৩৯), আনেকুল ইসলাম (৪৬), সাহিন (৩৩), শাহ আলম (২৫) এবং কতভানু বেগম (৪৫)।

থানার এসআই জাহাঙ্গীর জানান, ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পুঠিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয় আমার মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে তুলে পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

কান্দ্রা গুচ্চু গ্রামের শাহদত, রুপারী বেগম সহ অনেকে জানায়, সকাল ৬ টার দিকে খলিলুর রহমান ও সেই কিশোরী হেটে হেটে গিয়ে তহমিনার পরিত্যক্ত বাড়ীর বারান্দায় বস্তা পেরে অবৈধ্য কাজে লিপ্ত হয়। সে সময় আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করি। এরপর ধর্ষণ কারী কে ছাড়ানোর ঘটনায় উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এতে কয়েক জন আহত হয়।

অভিযুক্ত ধর্ষকের ছেলে রনি জানান, আমার বাবার সাথে আগে থেকেই সম্পর্ক আছে সেই মেয়ের। যার করণে আমার বাবা আমার মাকে মাঝে মঝেই মারধর করতো।

থানার অফিসার ইনচার্জ সোহরাওয়াদী হোসেন জানান, কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছে। কিশোরীর চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। আসামীকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে।