
রাপ্র ডেস্কঃ ডিমকে বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উচ্চমাত্রার প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিতে সমৃদ্ধ হওয়ায় অনেকেই একে ‘সুপারফুড’ বলে থাকেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতে একটি বা দুটি ডিম খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং সারাদিনের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, সকালের নাশতায় ডিম রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিনের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও পেয়ে থাকে। জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার কয়েকটি উপকারিতা। সূত্র : আনন্দবাজার
শরীরে শক্তি জোগায়
সেদ্ধ ডিমে উচ্চমাত্রার প্রোটিন রয়েছে, যা দীর্ঘ সময় শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। সকালে ডিম খেলে দ্রুত ক্ষুধা লাগে না এবং কাজে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
ওজন কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে সেদ্ধ ডিম হতে পারে ভালো একটি খাবার। এতে ক্যালরি তুলনামূলক কম হলেও প্রোটিনের পরিমাণ বেশি। ফলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে
ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের কোষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পুষ্টি উপাদান। এটি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি এবং মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করে।
পেশি ও হাড় মজবুত রাখে
সেদ্ধ ডিমের প্রোটিন পেশি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এতে থাকা ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে।
ত্বক ও চুলের যত্নে উপকারী
ডিমে থাকা বায়োটিন ও প্রোটিন ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত সকালে ডিম খাওয়া এ ক্ষেত্রেও উপকারী হতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
সেদ্ধ ডিমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত সকালে ডিম খেলে শরীর বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।
যা মনে রাখা জরুরি
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে ১ থেকে ২টি সেদ্ধ ডিম খাওয়া উপকারী। তবে যাদের কোলেস্টেরলজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খাওয়া উচিত।






