অবসরের পথেই হাঁটছিলেন ব্রড!


স্পোর্টস ডেস্ক: সাউদাম্পটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে একাদশে জায়গা না পেয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। সেই ব্রডই সিরিজের পরের দুই ম্যাচে একাদশে জায়গা করে নেন এবং ইংল্যান্ডকে সিরিজ জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন। সিরিজের পরের দুই ম্যাচে তার ফেরাটাও ছিল রাজকীয়য়। দুই টেস্টে ১৬ উইকেট নিয়ে দলকে সিরিজ জেতাতে অবদান রাখার পাশাপাশি টেস্ট ক্যারিয়ারে ৫০০ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই পেসার। 

প্রথম টেস্টের পর তার ভেতরে আসলে কী চলছিল- ডেইলি মেইলকে ব্রড বলেন, ‘সেই সময় অবসর ভাবনা কি আমার মাথায় এসেছিল? হ্যাঁ, শতভাগ। কারণ আমি খুবই হতাশ ছিলাম।’

প্রথম টেস্টে দলে জায়গা না পাওয়ার তেমন কারণ ছিল না। কারণ আগের দুই সিরিজেই সফল ছিল ব্রড। তিনিত বলেন, ‘আমি খেলার আশাই করেছিলাম। যদিও খেলাধুলায় এমন ভাবাটা বিপজ্জনক। তবে মনে হয়েছিল, দলে জায়গা পাওয়াটা আমার প্রাপ্য। কিন্তু যখন স্টোকস আমাকে বললো, আমি খেলছি না। মনে হচ্ছিলো আমার শরীর কাঁপছে। তখন মুখ ফুটে কথাই বের হচ্ছিল না।’

ইংল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‍উইকেট শিকারি ব্রড। ব্রড ছাড়া ক্রিকেটবিশ্বে আর মাত্র ৬ জন বোলার তার চেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট নিয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার ১৬ উইকেট নেওয়ার ক্ষেত্রে গড় ছিল ১০.৯৩।

ডানহাতি এই গতিতারকা বলেন, ‘আমি আসলে অবসরের কথা তখন কাউকে বলিনি। কিন্তু প্রথম টেস্টের প্রথম সপ্তাহ খুবই হতাশ ছিলাম। তখন হোটেলই পড়েছিলাম, কোথাও যাইনি। এমন পরিস্থিতি ছিল না যে আমার বান্ধবী মোলির কাছে যাবো, সেখানে বারবিকিউ করবো বা পুনরায় সব কিছু নিয়ে ভাববো।’

তবে দুঃসময়ে বন্ধু বেন স্টোকসকে দারুণভাবে পাশে পাওয়ার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে জানান ব্রড।