বিএনপির দুঃসাহস কী করে হলো ডিসেম্বরেই বুঝিয়ে দেব: ওবায়দুল কাদের


জনগণ ভোট দিলে আছি, না হলে নাই। বিএনপি এখন সংবিধান পরিবর্তনের কথা বলে। সংবিধান পরিবর্তনের দুঃসাহস কি করে হলো বিএনপির ডিসেম্বরেই তাদের বুঝিয়ে দেব বলে হুঁশিয়ারী দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) খিলগাঁও মডেল কলেজ প্রাঙ্গণে খিলগাঁও থানা ও ১,২,৩ এবং ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসেম্বর সমুদ্রের গর্জন শুনতে পারবেন একটু অপেক্ষা করুন। তত্ত্বাবধায়কের ভূত মাথা থেকে নামান। আর তত্ত্ববধায়ক চিন্তা করে লাভ নেই। ক্ষমতার রঙিন খোয়াব দেখছেন, টের পাবেন কতো ধানে কতো চাল।

তিনি বলেন, রিজার্ভ নিয়ে বড় বড় কথা বলে বিএনপি। বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলেন, দৌড়ের কথা মনে নেই? বৈশ্বিক সঙ্কটের আগে বিদ্যুৎ গ্যাসের অভাব ছিল? গুলশান বারিধারায় যায় নালিশ দিতে। বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। লজ্জা শরম নেই, শুধু নালিশ করে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ফখরুল সাহেব নাচানাচি করছেন। আন্দোলনের নেতা কে, নির্বাচনের নেতাকে? এই নেতা বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।

একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, পদবঞ্চিত, ত্যাগী নেতাদের নেতৃত্বে আনতে হবে। এখন বিএনপি আওয়ামী লীগকে গণতন্ত্র শেখায়, ভোট শেখায়? টেক ব্যাক মানে কোথায় ফিরে যেতে চান? সেই আশায় গুড়েবালি। এদেশের জনগণ আর সেখানে ফিরে যেতে দিবে না। বাস মালিকরা আতঙ্কিত, তাই বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল।

আওয়ামী লীগ কোন কর্মসূচিতে বাধা দিতে চায় না। জনসভা, জনসমাবেশে কি করে করছেন জানি। পরিষ্কার বলতে চাই, সহ্যের বাঁধ ভেঙে গেলে ভালো হবে না বলেও হুঁশিয়ারী দেন তিনি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি আবারও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। জনসভায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। আওয়ামী লীগ চাইলে বিএনপি কোথাও কোন কর্মসূচি করতে পারতো না।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, যারা দেশকে শ্রীলংকা বানাতে চায়, তারা আবারও মাঠে নেমেছে। তারেক রহমান লন্ডনে বসে সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করছে। বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগের সাথেই আছে।