সারিয়াকান্দিতে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন


তাজুল ইসলাম, সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে আম্ফান প্রকল্পের আওতায় উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর ঈদগাঁ-শোলারতাইড় জিপিএস সড়কের কালারতাইড় পাড়া এলাকায় কীর্তিনাশা খালের উপর ৬৬ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৩.৭০ মিটার প্রস্তের আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের শুভ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে বগুড়া-০১ আসনের সংসস সদস্য সাহাদারা মান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন।

কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান মিঠুর সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধনা অতিথির বক্তব্যে তিঁনি বলেন, ‘এলাকার রাস্তাঘাট-ব্রীজ কালভার্টের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে পুনরায় নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। নৌকায় ভোট দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত করলে এলাকার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করা সম্ভব হবে।’

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম মন্টু মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক দুলু, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সারিয়াকান্দি পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান মতি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আনছার আলী মাষ্টার,

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আইয়ুব আলী তরফদার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর বেগম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিক আহম্মেদ, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী তুহিন সরকার, জাতীয় কৃষক লীগের উপজেলা শাখার সভাপতি ছাইফুল ইসলাম দুখু, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ছকো।

স্থানীয়দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফরিদ উদ্দীন মাষ্টার প্রমুখ। এসময় ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল করিম পুটু, সাধারণ সম্পাদক আশাদুল ইসলাম, কামালপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি রবিউল ইসলাম আপেল, সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দীন, সাবেক সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক সহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সোহেল এবং আলী এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

৫ কোটি ৪৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এ সেতু সহ দু’পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাতণ কাজ বাস্তবায়ন করবে। আগামী বছরের জুন মাস নাগাদ নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ।