আবারও ভারতের কাছে লজ্জার হার


বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের দৃশ্য। ছবি : বিসিবি

ভাগ্য বদলাল না চতুর্থ ম্যাচেও। আগের তিন ম্যাচের মতো কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারেনি বাংলার নারীরা। ভারত নারী দলের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে আজ সোমবার (৬ মে) বাংলাদেশ হেরেছে বিশাল ব্যবধানে। বৃষ্টি আইনে হারের ব্যবধান ৫৬ রান। এ নিয়ে, চার ম্যাচের চারটিতেই হারের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে ১৪ ওভারে ছয় উইকেটে ভারত করে ১২২ রান। জবাবে ১৪ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬৮ রানে থামে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের জন্য ১২৩ রানের লক্ষ্য বেশ বড়ই বলা চলে। সেটি তাড়া করতে নেমে ভালো করতে পারেননি কেউই। সর্বোচ্চ ২১ রান আসে ওপেনার দিলারা আক্তারের ব্যাট থেকে। সেজন্য তাকে খেলতে হয়েছে ২৫ বল। দিলারাকে লেগ বিফোর করে সাজঘরে ফেরান দীপ্তি শর্মা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ রান করতে রুবাইয়া হায়দার খেলেন ১৭ বল। রানআউট হয়ে ফিরে যান তিনি।

অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ব্যর্থ হন এদিনও। মাত্র এক রান করে আশা সুবহানার বলে লেগবিফোর হন। বাংলাদেশ হারায় প্রতিরোধের শেষ ভরসা। ১১ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন শরিফা খাতুন, তাতে অবশ্য কিছুই হয়নি।

ভারতের পক্ষে দুটি করে উইকেট পান দীপ্তি ও আশা।

এর আগে বৈরি আবহাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু হতে পারেনি। ম্যাচ শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট পর। বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে শুরু হওয়া ম্যাচ ২৮ মিনিট পরই বন্ধ হয়। সিলেটে শিলাবৃষ্টি শুরু হওয়ায় প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকে। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে ফের শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির কারণে লম্বা সময় বন্ধ থাকায় কমিয়ে আনা হয় ম্যাচের দৈর্ঘ্য। ছয় ওভার কমিয়ে আনা হয় ১৪ ওভারে।

অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের সঙ্গে জুটি গড়েন রিচা ঘোষ। তবে, ১৫ বলে ২৪ রানের বেশি করতে পারেননি। রাবেয়ার বলে লং অফে স্বর্ণা আক্তারের ক্যাচে পরিণত হন রিচা। এক প্রান্তে হারমানপ্রীতের ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে ৩৯ রান। রানআউট হন তিনি।

বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন রাবেয়া ও মারুফা। একটি পান শরিফা।